1. admin@thedailyreport24.com : admin :
Breaking News|৬ আসামির ডিএনএ সংগ্রহ ঘটনাস্থলে তদন্ত কমিটি
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২০, ০৯:২৩ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
>>>পরীক্ষামূলক সম্প্রচার<<<

Breaking news|৬ আসামির ডিএনএ সংগ্রহ ঘটনাস্থলে তদন্ত কমিটি

  • শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২০
  • ১৪ বার পড়া হয়েছে
রেললাইনে ঘুম ট্রেনে কাটা পড়ে ৩ জনের মৃত্যু
Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  Yum
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

দ্য ডেইলি রিপোর্ট২৪. নিউজ

Breaking news :সিলেট এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে এক নববধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে বিচার বিভাগীয় তদন্ত দল। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে তদন্ত কমিটির চার সদস্য এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে পৌঁছেছেন। ছাত্রাবাসের নবনির্মিত ভবনসহ বিভিন্ন হল পরিদর্শন করেন তারা। কমিটির সদস্যরা ধর্ষণকা-ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করেন। এর আগে এমসি কলেজের অধ্যক্ষের সঙ্গে বৈঠক করেন তারা।

তদন্ত কমিটির প্রধান হিসেবে রয়েছেন সিলেটের জেলা ও দায়রা জজ মো. বজলুর রহমান। অন্যান্য সদস্য হলেন- মহানগর মুখ্য হাকিম মো. আবুল কাশেম, অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মমিনুন নেছা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শারমিন নেছা। কমিটিকে ১৫ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলেছেন উচ্চ আদালত। চাঞ্চল্যকর এ কা-ে এমসি কলেজ কর্তৃপক্ষ, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।

এদিকে ধর্ষণ মামলার ছয় আসামি সাইফুর রহমান, শাহ মাহবুবুর রহমান রনি, অর্জুন লঙ্কর, রবিউল ইসলাম, আইনুদ্দিন ও রাজন আহমদের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে গতকাল। এ জন্য দুপুর সাড়ে ১২টায় পুলিশ পাহারায় তাদের সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। ছয় আসামির মধ্যে প্রথম চারজন এজাহারনামীয়, অন্য দুজন সন্দেহভাজন আসামি।

ধর্ষণকা-ের পর প্রথম থেকেই পাওয়া গেছে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য। এজাহার, এজাহারের বাইরে বাদীর বক্তব্য, পুলিশ, কথিত উদ্ধারকারী ও সমঝোতার চেষ্টাকারীদের বক্তব্য

এবং সিসি ক্যামেরায় ধারণকৃত ভিডিও ফুটেজের দৃশ্যে ব্যাপক গরমিল পাওয়া গেছে। চাঞ্চল্যকর এ ধর্ষণের ঘটনায় সংগৃহীত কিছু তথ্য, ফোনালাপ ও সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে সংশ্নিষ্টরা ধারণা করছেন, এ ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্ত আইনুদ্দিনের সঙ্গে ফোনালাপে কোনো রহস্য লুকিয়ে থাকতে পারে। আইনুদ্দিনের একাধিক ফোনালাপ ও ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে চাঞ্চল্যকর তথ্য-উপাত্ত মিলেছে। এতে দেখা যায়, ঘটনার দিন সিলেটের টিলাগড়ের একটি বাসার সামনে সাইফুল, তারেক, রাজন ও আইনুদ্দিন একসঙ্গে ছিলেন। অন্যদিকে পুরো পুলিশ ফোর্স না গিয়ে একজন-দুজন করে ছাত্রাবাসে প্রবেশ করে ধর্ষকদের ভয় দেখানো বা পালানোর সুযোগ করে দেওয়া হয় কিনা তা নিয়েও সন্দেহ দেখা দিয়েছে।

এ ব্যাপারে সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার জ্যোর্তিময় সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, সব রকম প্রশ্ন সামনে রেখেই তদন্ত চলছে। তদন্তের স্বার্থেই আপাতত কিছু বলা যাচ্ছে না।

অনুমতি ও সমঝোতার নামে সময়ক্ষেপণ করে ধর্ষকদের পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে পুলিশ, এমন অভিযোগের ব্যাপারে অতিরিক্ত উপকমিশনার বলেন, ধর্ষকদের ধরতে সর্বশক্তি নিয়োগ করেছে পুলিশ। এ জন্যই ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সন্দেহভাজনসহ সব আসামিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ এবং কলেজ কর্তৃপক্ষের অনুমতি প্রাপ্তির সঙ্গে সঙ্গে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে।

এ ব্যাপারে শাহপরাণ থানার এসআই সোহেল রানা জানান, ওসির ফোন পেয়ে তিনি দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। অন্য পুলিশ সদস্যরা আসার আগেই তিনি ভিকটিমের স্বামী ও বাবলা চৌধুরীকে সঙ্গে নিয়ে ভেতরে প্রবেশ করেন এবং তারা সেখানে ধর্ষণের আলামত পান। তবে ধর্ষকরা তখন সেখানে ছিল না।

 

বাদীর বক্তব্যে ভিন্নতা : মামলার এজাহারে ধর্ষিতার স্বামী দাবি করেন, গত শুক্রবার সন্ধ্যায় স্ত্রীকে নিয়ে তিনি শাহপরাণ এলাকা থেকে প্রাইভেটকার নিয়ে ফিরছিলেন। টিলাগড় পয়েন্টে আসার পর কলেজের প্রধান ফটকের সামনে গাড়ি থামিয়ে পাশর্^বর্তী দোকানে সিগারেট খেতে যান। এই ফাঁকে অভিযুক্তরা তার স্ত্রীকে নিয়ে বাজে মন্তব্য করেন। তিনি এসে এসবের প্রতিবাদ করলে তাকে চড়-থাপ্পড় মেরে প্রাইভেটকারের পেছনের সিটে বসিয়ে ছাত্রাবাসে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রবেশের সময় আরও কয়েকজন যুবক গাড়ির পিছু নিয়ে ভেতরে প্রবেশ করেন।

কিন্তু পরবর্তী সময়ে তিনি গণমাধ্যমকে জানান, তার স্ত্রী এক ছেলেবন্ধুর সঙ্গে দেখা করতে চাইলে তিনি কলেজগেটে গাড়ি থামিয়ে পার্শ্ববর্তী একটি দোকানে সিগারেট কিনতে যান। এই ফাঁকে ওই বন্ধুটি তার স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন। (সেই বন্ধুটি হলেন ধর্ষণকা-ে সম্পৃক্ততার অভিযোগে আটক আইনুদ্দিন আইনুল।)

এর কিছুক্ষণ পরই সাইফুর, অর্জুন, তারেক ও রনি এসে তার ওপর চড়াও হন। একপর্যায়ে চড়-থাপ্পড় মেরে তাকে পেছনের সিটে বসিয়ে চালকের আসনে বসেন তারেক। পেছনে বসেন সাইফুর ও অর্জুন। আর মোটরসাইকেলে পিছু নেন রনি। ছাত্রাবাসে প্রবেশের সময় আরও কয়েকজন যুবক গাড়ির পিছু নিয়ে ভেতরে ঢোকেন। তাকে মারধর করে গাড়ির ভেতরে থাকা তার স্ত্রীকে চারজন মিলে (সাইফুর, অর্জুন, তারেক, রনি) ধর্ষণ করেন। এর পর তাদের ছেড়ে দিয়ে ৫০ হাজার টাকা নিয়ে এসে কার নিয়ে যেতে বলে ধর্ষকরা। ছাত্রাবাস থেকে বের হয়ে একটি সিএনজি অটোরিকশা করে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন স্বামী-স্ত্রী। পথে পুলিশের পরামর্শে তারা আবার টিলাগড় এলাকায় ফেরেন।

এজাহারে নির্যাতিতার প্রকৃত নাম উল্লেখ না করায়ও রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্ত্রীকে নিয়ে কোথায় কোথায় বেড়াতে গেছেন তারও সঠিক তথ্য দেননি তার স্বামী।

আবার নির্যাতিতার স্বামী দাবি করা বাদীর বাবা দাবি করেছেন, তাদের ছেলের সঙ্গে কয়েক মাস ধরে যোগাযোগ নেই। তিনি বিয়ে করেছেন কিনা তাও তারা জানেন না।

 

বাবলার ভূমিকা নিয়ে আলোচনা

উদ্ধারকারী হিসেবে আলোচনায় আসা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক বিহিত গুপ্ত চৌধুরী বাবলার ভূমিকা নিয়েও নতুন আলোচনা তৈরি হয়েছে।

পুলিশের পরামর্শে বাড়ির পথ থেকে ফিরে টিলাগড় এলাকায় এলে ভিকটিম ও তার স্বামীর সঙ্গে দেখা হয় বাবলার। তিনি তাদের নিয়ে ছাত্রাবাসের গেটে আসেন। সেখানে তখন পুলিশের এসআই সোহেল রানা উপস্থিত হন। বাবলা টিলাগড় এলাকার ছাত্রলীগের নিয়ন্ত্রণকারী আওয়ামী লীগ নেতা রণজিৎ সরকার ও আজাদুর রহমান আজাদের একসময়ের কাছের লোক এবং নিজেও টিলাগড় এলাকায় থাকেন। সেই সুবাদে ধর্ষকদের চিনতেন। গেটের বাইরে থাকাবস্থায় ভিকটিমের স্বামীর মোবাইলে আসা প্রধান অভিযুক্ত সাইফুরের কলে তিনি কথা বলে গাড়ি ফিরিয়ে দিতে বলেন এবং ভেতরে আসছেন বলে তাদের হুমকি দেন।

বাবলার দাবিমতে, তাকে দেখে পালিয়ে যায় ধর্ষকরা। তবে তার সঙ্গে থাকা এসআই সোহেল রানা জানান, সে সময় কোনো ধর্ষক সেখানে ছিল না।

বাবলা চৌধুরী আলামত ও গাড়ির চাবি সংগ্রহে পুলিশকে সহায়তা করলেও ধর্ষক সাইফুরের ফেলে যাওয়া মোটরসাইকেল নিয়ে তিনি ছাত্রাবাস থেকে চলে যান। পরে পুলিশ কল করে তাকে মোটরসাইকেল হস্তান্তরের অনুরোধ করলে তিনি সেটি হস্তান্তর করেন।

ধর্ষণের পর ছাত্রাবাস গেটে যুবলীগ নেতা জাহাঙ্গীর, মিঠু ও নাজমুল

ধর্ষণকা-ের পর ছাত্রাবাস গেটে উপস্থিত হন যুবলীগ নেতা জাহাঙ্গীর আলম, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা দেবাংশু দাস মিঠু ও ছাত্রলীগ নেতা নাজমুল ইসলাম। বাবলার দাবিমতে, তারা ধর্ষকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে সেখানে আসেন এবং পুলিশের সঙ্গে সমঝোতার চেষ্টা করেন। তবে তারা তিনজনই দাবি করেছেন, শাহপরাণ থানার সহকারী কমিশনার মইনুল আবসারের কল পেয়ে তারা ছাত্রাবাস গেটে আসেন এবং পরে পুলিশের সঙ্গে ভেতরে গিয়ে ধর্ষকদের শনাক্ত করতে ছাত্রাবাসে থাকা শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে সহায়তা করেন। রাজনীতি করার কারণে অভিযুক্তদের চিনলেও ঘটনার রাতে তাদের সঙ্গে কোনো কথা হয়নি। প্রয়োজনে কললিস্ট চেক করারও দাবি তোলেন তারা। বাবলা চৌধুরীর কাছ থেকে মোটরসাইকেল উদ্ধারেও সহায়তা করেন এবং অভিযুক্তদের অবস্থান জানতে পুলিশের পরামর্শে অভিযুক্তদের কল দেন তারা।

দ্য ডেইলি রিপোর্ট২৪. নিউজ

www.thedailyreport24.com

ভালো লাগলে এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই কেটাগরির আরো খবর
© All rights reserved 2020 thedailyreport24

প্রযুক্তি সহায়তা WhatHappen