1. admin@thedailyreport24.com : admin :
Breaking News|ঢাকায় কমেনি চালের দাম
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২০, ০৯:৩২ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
>>>পরীক্ষামূলক সম্প্রচার<<<

Breaking news|ঢাকায় কমেনি চালের দাম

  • শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২০
  • ১৪ বার পড়া হয়েছে
কর্মক্ষমতা ধরে রেখেছে ৩.৯ শতাংশ গার্মেন্টস
Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  Yum
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

মিলগেটে দাম বেঁধে দেওয়া হলেও প্রভাব পড়েনি পাইকারি ও খুচরা বাজারে

দ্য ডেইলি রিপোর্ট২৪. নিউজ

Breaking news :অস্থিতিশীল বাজার নিয়ন্ত্রণে আনতে মিলগেটে চালের দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার। কিন্তু রাজধানীর পাইকারি ও খুচরা বাজারে এর কোনো প্রভাব পড়েনি। রাজধানীর দোকানগুলোয় এখনো বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে মিনিকেট ও আটাশসহ সব ধরনের চাল। দাম নিয়ে বরাবরের মতো পরস্পরকে দোষারোপ করছেন মিল মালিক এবং আড়তদাররা। এদিকে সরকারের নির্দেশের পরেও দাম না কমায় হতাশ সাধারণ ভোক্তা। পরিবারের জন্য চাল কিনতে গিয়ে ঘাম ছুটে যাচ্ছে দরিদ্রশ্রেণির।

মিল মালিকরা বলছেন, প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী গত বুধবার থেকে নির্ধারিত দামে চাল বিক্রি শুরু হয়েছে। কিন্তু পাইকার ও আড়তদাররা বলছেন, সরকারের বেঁধে দেওয়া দাম এখনো সব মিলগেটে কার্যকর হয়নি। ফলে বেশি দামে চাল কিনতে হচ্ছে তাদের। পাইকারি পর্যায়ে দাম এখনো কমেনি। পাইকারিতে দাম না কমায় খুচরা বাজারেও চালের দাম আগের মতোই চড়া রয়েছে। বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, মিলগেটে দাম বেঁধে দেওয়া হলেও আড়তদার ও পাইকারি পর্যায়ে দাম নির্ধারণ করা হয়নি। আর এরই সুযোগ নিচ্ছেন কিছু কৌশলী ব্যবসায়ী।

গত মঙ্গলবার খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে চালকল মালিকদের বৈঠকে মিনিকেট ও আটাশ চালের দাম নির্ধারণ করে দেন খাদ্যমন্ত্রী সাধনচন্দ্র মজুমদার। প্রতিকেজি সরু মিনিকেট চাল ৫১ টাকা ৫০ পয়সা এবং প্রতি ৫০ কেজির বস্তা ২ হাজার ৫৭৫ টাকা; মাঝারি মানের চাল প্রতিকেজি ৪৫ টাকা এবং বস্তা ২ হাজার ২৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। ওইদিন চালকল মালিক ও চাল ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সাড়ে তিন ঘণ্টা বৈঠক শেষে কয়েকজন চাল ব্যবসায়ীর সঙ্গে একান্ত বৈঠকের পর খাদ্যমন্ত্রী এ দাম নির্ধারণ করে দেন।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, ‘আগামীকাল (বুধবার) সকাল থেকে এ দাম কার্যকর হবে। এর ব্যত্যয় ঘটলে ১০ দিনের মধ্যে সরু চাল আমদানি হবে। একই সঙ্গে ভোক্তা অধিকার আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ কোনোক্রমেই আগামী এক মাস চালের দাম বাড়ানো যাবে না বলে ব্যবসায়ীদের হুশিয়ার করেন তিনি।

মন্ত্রীর এমন হুশিয়ারির পরও মিলমালিকরা নির্ধারিত দামে চাল বিক্রি করছেন না বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। কুষ্টিয়া সদর উপজেলা খাজানগর এলাকা দেশের চালের দ্বিতীয় প্রধান মোকাম। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গতকাল শুক্রবার খাজানগর মোকামে মিনিকেট চাল মিলগেটে ৫৩ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে এবং আটাশ ৪৮ টাকায় বিক্রি হয়, যা সরকারের বেঁধে দেওয়া দামের চেয়ে অনেকখানি বেশি।

প্রশাসনের কড়া নজরদারি, মিল মালিকদের সাথে দফায় দফায় বৈঠকের পরও চালের দাম কমছে না কুষ্টিয়ায়। সরকারের বেঁধে দেওয়া দাম মানছে না কুষ্টিয়ার অনেক মিল মালিক। খাজানগর মোকামের একাধিক মিল মালিক জানান, সরকার চালের দাম বেঁধে দিলেও ধানের দাম বৃদ্ধির কারণে আশানুরূপ কমেনি। ধানের দাম না কমার কারণে মিলগেটে মিনিকেট চাল কেজিতে দু-এক টাকা ও মোটা সব ধরনের চাল কেজিতে দু-তিন টাকা পর্যন্ত দাম বাড়তি রয়েছে। ধানের বাজার বাড়লে চালের বাজার সমন্বয় করতেই এ দাম বাড়ানো হয় বলে জানান মিল মালিকরা।

কারণ জানতে চাইলে আমাদের

অস্থিতিশীল বাজার নিয়ন্ত্রণে আনতে মিলগেটে চালের দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার। কিন্তু রাজধানীর পাইকারি ও খুচরা বাজারে এর কোনো প্রভাব পড়েনি। রাজধানীর দোকানগুলোয় এখনো বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে মিনিকেট ও আটাশসহ সব ধরনের চাল। দাম নিয়ে বরাবরের মতো পরস্পরকে দোষারোপ করছেন মিল মালিক এবং আড়তদাররা। এদিকে সরকারের নির্দেশের পরেও দাম না কমায় হতাশ সাধারণ ভোক্তা। পরিবারের জন্য চাল কিনতে গিয়ে ঘাম ছুটে যাচ্ছে দরিদ্রশ্রেণির।

মিল মালিকরা বলছেন, প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী গত বুধবার থেকে নির্ধারিত দামে চাল বিক্রি শুরু হয়েছে। কিন্তু পাইকার ও আড়তদাররা বলছেন, সরকারের বেঁধে দেওয়া দাম এখনো সব মিলগেটে কার্যকর হয়নি। ফলে বেশি দামে চাল কিনতে হচ্ছে তাদের। পাইকারি পর্যায়ে দাম এখনো কমেনি। পাইকারিতে দাম না কমায় খুচরা বাজারেও চালের দাম আগের মতোই চড়া রয়েছে। বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, মিলগেটে দাম বেঁধে দেওয়া হলেও আড়তদার ও পাইকারি পর্যায়ে দাম নির্ধারণ করা হয়নি। আর এরই সুযোগ নিচ্ছেন কিছু কৌশলী ব্যবসায়ী।

গত মঙ্গলবার খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে চালকল মালিকদের বৈঠকে মিনিকেট ও আটাশ চালের দাম নির্ধারণ করে দেন খাদ্যমন্ত্রী সাধনচন্দ্র মজুমদার। প্রতিকেজি সরু মিনিকেট চাল ৫১ টাকা ৫০ পয়সা এবং প্রতি ৫০ কেজির বস্তা ২ হাজার ৫৭৫ টাকা; মাঝারি মানের চাল প্রতিকেজি ৪৫ টাকা এবং বস্তা ২ হাজার ২৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। ওইদিন চালকল মালিক ও চাল ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সাড়ে তিন ঘণ্টা বৈঠক শেষে কয়েকজন চাল ব্যবসায়ীর সঙ্গে একান্ত বৈঠকের পর খাদ্যমন্ত্রী এ দাম নির্ধারণ করে দেন।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, ‘আগামীকাল (বুধবার) সকাল থেকে এ দাম কার্যকর হবে। এর ব্যত্যয় ঘটলে ১০ দিনের মধ্যে সরু চাল আমদানি হবে। একই সঙ্গে ভোক্তা অধিকার আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ কোনোক্রমেই আগামী এক মাস চালের দাম বাড়ানো যাবে না বলে ব্যবসায়ীদের হুশিয়ার করেন তিনি।

মন্ত্রীর এমন হুশিয়ারির পরও মিলমালিকরা নির্ধারিত দামে চাল বিক্রি করছেন না বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। কুষ্টিয়া সদর উপজেলা খাজানগর এলাকা দেশের চালের দ্বিতীয় প্রধান মোকাম। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গতকাল শুক্রবার খাজানগর মোকামে মিনিকেট চাল মিলগেটে ৫৩ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে এবং আটাশ ৪৮ টাকায় বিক্রি হয়, যা সরকারের বেঁধে দেওয়া দামের চেয়ে অনেকখানি বেশি।

প্রশাসনের কড়া নজরদারি, মিল মালিকদের সাথে দফায় দফায় বৈঠকের পরও চালের দাম কমছে না কুষ্টিয়ায়। সরকারের বেঁধে দেওয়া দাম মানছে না কুষ্টিয়ার অনেক মিল মালিক। খাজানগর মোকামের একাধিক মিল মালিক জানান, সরকার চালের দাম বেঁধে দিলেও ধানের দাম বৃদ্ধির কারণে আশানুরূপ কমেনি। ধানের দাম না কমার কারণে মিলগেটে মিনিকেট চাল কেজিতে দু-এক টাকা ও মোটা সব ধরনের চাল কেজিতে দু-তিন টাকা পর্যন্ত দাম বাড়তি রয়েছে। ধানের বাজার বাড়লে চালের বাজার সমন্বয় করতেই এ দাম বাড়ানো হয় বলে জানান মিল মালিকরা।

কারণ জানতে চাইলে আমাদের সময়ের প্রতিনিধিকে বাংলাদেশ চালকল মালিক সমিতির সভাপতি আবদুর রশিদ বলেন, ‘আমরা সরকারের বেঁধে দেওয়া দামে চাল বিক্রির চেষ্টা করছি। ধানের দাম বৃদ্ধি ও ক্যারিং খরচের কারণে চালের দাম বেড়ে যাচ্ছে। যে কারণে অনেক মিল বন্ধ হয়ে গেছে।’

এদিকে নওগাঁ জেলার বিভিন্ন মিলগেটে নির্ধারিত দামেই চাল বিক্রি হচ্ছে। এখানকার মিলগেটগুলোয় মিনিকেটের ৫০ কেজির বস্তা বিক্রি হচ্ছে দুই হাজার থেকে দুই হাজার ৫৭৫ টাকা, বিআর আটাশ চাল দুই হাজার ৩শ টাকায়।

নওগাঁ জেলা ধান-চাল আড়তদার ও ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি নিরোদ বরণ সাহা চন্দন বলেন, গত বুধবার থেকেই এ দামে চাল সংগ্রহ করছেন আড়তদাররা। তবে দেশের বিভিন্ন খুচরা বাজার পর্যন্ত পৌঁছাতে বিভিন্ন হাতবদল হয়। তা ছাড়া পরিবহন খরচের জন্য দাম কিছুটা বেড়ে যায়।

রাজধানীর কারওয়ানবাজারের চালের পাইকারি প্রতিষ্ঠান লাকসাম ট্রেডার্সের ব্যবসায়ী মো. মোশাররফ হোসেন জানান, সরকার দাম বেঁধে দিলেও বেশি দামেই চাল কিনতে হচ্ছে তাদের। তাই বাড়তি দামেই চাল বিক্রি করছেন। তিনি জানান, কারওয়ানবাজারে গতকাল পাইকারিতে মিনিকেটের বস্তা (৫০ কেজি) বিক্রি হয়েছে ২ হাজার ৭৫০ থেকে ৮শ টাকায় এবং আটাশ চালের বস্তা বিক্রি হয়েছে ২ হাজার ৪শ টাকায়। কেজি হিসাবে মিনিকেট ৫৫ থেকে ৫৬ টাকা এবং আটাশ ৪৮ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। মিল মালিকরা দাম কমানোর আশ্বাস দিলেও আমাদের বেশি দামেই চাল সংগ্রহ করতে হয়। ২ হাজার ৭শ টাকার নিচে আমরাই মিনিকেটের বস্তা কিনতে পারছি না। সেখানে কম দামে চাল বিক্রি করব কীভাবে।

খুচরা বাজারেও দাম কমেনি বলে জানান যাত্রাবাড়ীর চাল বিক্রেতা মো. মিলন আহমেদ। তিনি জানান, গতকাল খুচরা পর্যায়ে মিনিকেট বিক্রি হয়েছে মানভেদে ৫৮ থেকে ৬০ টাকা। কিছু দোকানে ভালো মানের মিনিকেট ৬২ টাকাতেও বিক্রি হচ্ছে। নাজিরশাইল মানভেদে বিক্রি হয়েছে ৬০ থেকে ৬৫ টাকা ও আটাশ চাল ৫০ থেকে ৫১ টাকা কেজি। এ ছাড়া গুটি স্বর্ণার কেজি বিক্রি হয়েছে ৪৬ টাকায়। মিনিকেটের ৫০ কেজির বস্তা মানভেদে বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৮শ থেকে তিন হাজার টাকা। আটাশ চালের বস্তা বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৫৫০ টাকা।

বাদামতলী চালের বাজারের আড়তদার মো. সেলিম বলেন, আমাদের কাছে যে চাল বিক্রি হচ্ছে তা আগের কেনা। তাই দাম বেশি। সরকারি দামের চাল এখনো আনতে পারিনি। কম দামের চাল বাজারে এলে দাম কিছুটা কমে আসবে।

এদিকে মিল মালিকরা সরকারের নির্ধারিত দামেই চাল বিক্রি করছেন বলে জানান বাংলাদেশ অটো মেজর অ্যান্ড হাসকিং মিল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক একেএম লায়েক আলী। তিনি আমাদের দ্য ডেইলি রিপোর্ট২৪. নিউজ

কে বলেন, গত বুধবার থেকে সরকারের বেঁধে দেওয়া দামেই চাল বিক্রি করছেন মিল মালিকরা। এর আগে যারা চাল কিনেছেন তারা হয়তো আগের বেশি দামে চাল বিক্রি করছেন। কিন্তু বুধবারের পর থেকে যে সব আড়তদার ও পাইকার চাল সংগ্রহ করেছেন, তারা যদি বলেন- বেশি দামে চাল কিনছেন, সেটা বানোয়াট কথা। বেশি লাভের আশায় মিল মালিকদের দোহাই দিয়ে আড়তদার ও পাইকাররা এখনো বেশি দামে চাল বিক্রি করছেন বলে দাবি করেন তিনি। তিনি বলেন, যেসব মিল মালিক বেশি দামে চাল বিক্রি করছে তাদের নাম আমাদের জানান। আমরা ব্যবস্থা নেব। মিল মালিকরা চাল বিক্রির সময় রসিদ সরবরাহ করে থাকে। পাইকারদের কাছে রসিদ যাচাই করলেই জানা যাবে, তারা আসলে কত টাকায় চাল কিনেছেন।

লায়েক আলী আরও বলেন, অনেকে অভিযোগ করছেন মিলগেটে গিয়ে চাল পাচ্ছেন না তারা। এ রকমটা হওয়ার কথা নয়। প্রত্যেক অঞ্চলে আমাদের ব্যবসায়ী সংগঠন রয়েছে। আমাদের জানান কোথায় চাল পাচ্ছেন না। আমরা চালের ব্যবস্থা করে দেব।

পাইকারি ও আড়তদার পর্যায়েও দাম নির্ধারণ করে দেওয়া হলে কৌশলী ব্যবসায়ীরা অনৈতিক মুনাফা লুটতে পারবে না বলে জানান কনসাস কনজ্যুমার্স সোসাইটির (সিসিএস) নির্বাহী পরিচালক পলাশ মাহমুদ। তিনি বলেন, সরকার যদি মিলগেটে দাম নির্ধারণ করে দিতে পারেন, তা হলে পাইকারি ও আড়তদার পর্যায়েও দাম নির্ধারণ করে দিতে পারেন। তা হলে চালের যৌক্তিক দাম নিয়ে আর সমস্যাই থাকে না। ব্যবসায়ীরাও আর পরস্পরকে দোষারোপ করার সুযোগ পাবে না। তা ছাড়া শুধু দাম নির্ধারণ করে দিলেই হবে না, তদারকিও জোরদার করতে হবে।

য়ের প্রতিনিধিকে বাংলাদেশ চালকল মালিক সমিতির সভাপতি আবদুর রশিদ বলেন, ‘আমরা সরকারের বেঁধে দেওয়া দামে চাল বিক্রির চেষ্টা করছি। ধানের দাম বৃদ্ধি ও ক্যারিং খরচের কারণে চালের দাম বেড়ে যাচ্ছে। যে কারণে অনেক মিল বন্ধ হয়ে গেছে।’

এদিকে নওগাঁ জেলার বিভিন্ন মিলগেটে নির্ধারিত দামেই চাল বিক্রি হচ্ছে। এখানকার মিলগেটগুলোয় মিনিকেটের ৫০ কেজির বস্তা বিক্রি হচ্ছে দুই হাজার থেকে দুই হাজার ৫৭৫ টাকা, বিআর আটাশ চাল দুই হাজার ৩শ টাকায়।

নওগাঁ জেলা ধান-চাল আড়তদার ও ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি নিরোদ বরণ সাহা চন্দন বলেন, গত বুধবার থেকেই এ দামে চাল সংগ্রহ করছেন আড়তদাররা। তবে দেশের বিভিন্ন খুচরা বাজার পর্যন্ত পৌঁছাতে বিভিন্ন হাতবদল হয়। তা ছাড়া পরিবহন খরচের জন্য দাম কিছুটা বেড়ে যায়।

রাজধানীর কারওয়ানবাজারের চালের পাইকারি প্রতিষ্ঠান লাকসাম ট্রেডার্সের ব্যবসায়ী মো. মোশাররফ হোসেন জানান, সরকার দাম বেঁধে দিলেও বেশি দামেই চাল কিনতে হচ্ছে তাদের। তাই বাড়তি দামেই চাল বিক্রি করছেন। তিনি জানান, কারওয়ানবাজারে গতকাল পাইকারিতে মিনিকেটের বস্তা (৫০ কেজি) বিক্রি হয়েছে ২ হাজার ৭৫০ থেকে ৮শ টাকায় এবং আটাশ চালের বস্তা বিক্রি হয়েছে ২ হাজার ৪শ টাকায়। কেজি হিসাবে মিনিকেট ৫৫ থেকে ৫৬ টাকা এবং আটাশ ৪৮ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। মিল মালিকরা দাম কমানোর আশ্বাস দিলেও আমাদের বেশি দামেই চাল সংগ্রহ করতে হয়। ২ হাজার ৭শ টাকার নিচে আমরাই মিনিকেটের বস্তা কিনতে পারছি না। সেখানে কম দামে চাল বিক্রি করব কীভাবে।

খুচরা বাজারেও দাম কমেনি বলে জানান যাত্রাবাড়ীর চাল বিক্রেতা মো. মিলন আহমেদ। তিনি জানান, গতকাল খুচরা পর্যায়ে মিনিকেট বিক্রি হয়েছে মানভেদে ৫৮ থেকে ৬০ টাকা। কিছু দোকানে ভালো মানের মিনিকেট ৬২ টাকাতেও বিক্রি হচ্ছে। নাজিরশাইল মানভেদে বিক্রি হয়েছে ৬০ থেকে ৬৫ টাকা ও আটাশ চাল ৫০ থেকে ৫১ টাকা কেজি। এ ছাড়া গুটি স্বর্ণার কেজি বিক্রি হয়েছে ৪৬ টাকায়। মিনিকেটের ৫০ কেজির বস্তা মানভেদে বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৮শ থেকে তিন হাজার টাকা। আটাশ চালের বস্তা বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৫৫০ টাকা।

বাদামতলী চালের বাজারের আড়তদার মো. সেলিম বলেন, আমাদের কাছে যে চাল বিক্রি হচ্ছে তা আগের কেনা। তাই দাম বেশি। সরকারি দামের চাল এখনো আনতে পারিনি। কম দামের চাল বাজারে এলে দাম কিছুটা কমে আসবে।

এদিকে মিল মালিকরা সরকারের নির্ধারিত দামেই চাল বিক্রি করছেন বলে জানান বাংলাদেশ অটো মেজর অ্যান্ড হাসকিং মিল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক একেএম লায়েক আলী। তিনি আমাদের দ্য ডেইলি রিপোর্ট২৪. নিউজ

কে বলেন, গত বুধবার থেকে সরকারের বেঁধে দেওয়া দামেই চাল বিক্রি করছেন মিল মালিকরা। এর আগে যারা চাল কিনেছেন তারা হয়তো আগের বেশি দামে চাল বিক্রি করছেন। কিন্তু বুধবারের পর থেকে যে সব আড়তদার ও পাইকার চাল সংগ্রহ করেছেন, তারা যদি বলেন- বেশি দামে চাল কিনছেন, সেটা বানোয়াট কথা। বেশি লাভের আশায় মিল মালিকদের দোহাই দিয়ে আড়তদার ও পাইকাররা এখনো বেশি দামে চাল বিক্রি করছেন বলে দাবি করেন তিনি। তিনি বলেন, যেসব মিল মালিক বেশি দামে চাল বিক্রি করছে তাদের নাম আমাদের জানান। আমরা ব্যবস্থা নেব। মিল মালিকরা চাল বিক্রির সময় রসিদ সরবরাহ করে থাকে। পাইকারদের কাছে রসিদ যাচাই করলেই জানা যাবে, তারা আসলে কত টাকায় চাল কিনেছেন।

লায়েক আলী আরও বলেন, অনেকে অভিযোগ করছেন মিলগেটে গিয়ে চাল পাচ্ছেন না তারা। এ রকমটা হওয়ার কথা নয়। প্রত্যেক অঞ্চলে আমাদের ব্যবসায়ী সংগঠন রয়েছে। আমাদের জানান কোথায় চাল পাচ্ছেন না। আমরা চালের ব্যবস্থা করে দেব।

পাইকারি ও আড়তদার পর্যায়েও দাম নির্ধারণ করে দেওয়া হলে কৌশলী ব্যবসায়ীরা অনৈতিক মুনাফা লুটতে পারবে না বলে জানান কনসাস কনজ্যুমার্স সোসাইটির (সিসিএস) নির্বাহী পরিচালক পলাশ মাহমুদ। তিনি বলেন, সরকার যদি মিলগেটে দাম নির্ধারণ করে দিতে পারেন, তা হলে পাইকারি ও আড়তদার পর্যায়েও দাম নির্ধারণ করে দিতে পারেন। তা হলে চালের যৌক্তিক দাম নিয়ে আর সমস্যাই থাকে না। ব্যবসায়ীরাও আর পরস্পরকে দোষারোপ করার সুযোগ পাবে না। তা ছাড়া শুধু দাম নির্ধারণ করে দিলেই হবে না, তদারকিও জোরদার করতে হবে।

দ্য ডেইলি রিপোর্ট২৪. নিউজ

www.thedailyreport24.com

ভালো লাগলে এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই কেটাগরির আরো খবর
© All rights reserved 2020 thedailyreport24

প্রযুক্তি সহায়তা WhatHappen