1. admin@thedailyreport24.com : admin :
Breaking News |ধর্ষণের বিরুদ্ধে সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২০, ০৯:০২ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
>>>পরীক্ষামূলক সম্প্রচার<<<

Breaking news |ধর্ষণের বিরুদ্ধে সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে

  • শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২০
  • ৯ বার পড়া হয়েছে
কর্মক্ষমতা ধরে রেখেছে ৩.৯ শতাংশ গার্মেন্টস
Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  Yum
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

প্রশাসনকে প্রধানমন্ত্রী

দ্য ডেইলি রিপোর্ট২৪. নিউজ

Breaking news :

ধর্ষণ প্রতিরোধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণসহ এ সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টির জন্য প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, এ ধরনের ঘটনা (ধর্ষণ) রোধ করার ব্যাপক ব্যবস্থা আমাদের নিতে হবে। আর সব চেয়ে বড় কথা, মানুষের মধ্যেও জনসচেতনতা সৃষ্টি করা দরকার। গতকাল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (বিপিএটিসি) ৭০তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী এবং সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।

সম্প্রতি সামাজিক এ ব্যাধির প্রকোপ বেড়ে যাওয়া প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইদানীং ধর্ষণটা ব্যাপকভাবে হচ্ছে এবং প্রচারও হচ্ছে। এটির যত বেশি প্রচার হয়, প্রাদুর্ভাবটাও তত বাড়ে। সরকার ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদন্ডের বিধান সংযুক্ত করে অধ্যাদেশ জারি করেছে।

১৯৭৫ পরবর্তী সময়ে দেশে বিচারহীনতার সংস্কৃতি চলতে থাকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা চাই কোনো ধরনের অন্যায়-অবিচার যেন না হয়। মানুষ যেন ন্যায়বিচার পায়। মানুষের ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার রয়েছে। কারণ আমি জানি বিচার না পেলে কী কষ্ট। আমার বাবা-মা, ভাই, ভাবি- তাদের যখন হত্যা করা হয়, খুনিদের ইনডেমনিটি দেওয়া হয়েছিল। আমার বিচার চাওয়ার কোনো অধিকার ছিল না। আমি কেন, ’৭৫-এর ১৫ আগস্ট যারা নিহত হয়েছিলেন, তাদের পরিবারের কারোরই বিচার চাওয়ার কোনো অধিকার ছিল না।

তিনি বাষ্পরুদ্ধ কণ্ঠে বলেন, আমার বাবা-মা, ভাই মারা গেছে আমি একটা মামলাও করতে পারিনি। এ সংস্কৃতি বাংলাদেশে যেন আর না থাকে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসতে পেরেছিল বলেই জাতির পিতার খুনি এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করা সম্ভব হয়েছে উল্লেখ করেন তিনি। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব শেখ ইউসুফ হারুন অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা করেন। বিপিএটিসির রেক্টর রাকিব হোসেন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর হাতে ৭০তম বুনিয়াদি কোর্সের ফল হস্তান্তর করেন এবং প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে অনুষ্ঠানে সনদ বিতরণ করেন।

এবারের ৬ মাসব্যাপী কোর্সটির শেষ একমাস করোনার কারণে অনলাইনে সমাপ্ত করা হয়। যেখানে ১৬১ নারীসহ ৬৬৩ প্রশিক্ষণার্থী অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্যে ৫০ জন পুরুষ এবং ১৮ জন নারী সেন্টার অব এক্সিলেন্স সনদ পেয়েছেন। অনুষ্ঠানে সনদপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের পক্ষে মেহেদী হাসান কাওসার এবং মুনিয়া সিরাত অনুভূতি ব্যক্ত করে বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী সরকারি কর্মকর্তাদের উদ্দেশে দেওয়া জাতির পিতার একটি ভাষণেরও উদ্ধৃতি দেন। জাতির পিতা তার ওই ভাষণে বলেন, আপনি চাকরি করেন, আপনার মাইনা দেয় ওই গরিব কৃষক, আপনার মাইনা দেয় ওই গরিব শ্রমিক, আপনার সংসার চলে ওই টাকায়, আমি গাড়ি চড়ি ওই টাকায়, ওদের সম্মান করে কথা বলেন, ওদের ইজ্জত করে কথা বলেন, ওরাই মালিক।

এ উদ্ধৃতি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে যে নবীন কর্মকর্তারা প্রশিক্ষণ নিয়েছেন তাদের এ কথাটাই মনে রাখতে হবে যে, এ দেশের গরিব মানুষ যারা বা এখনো তৃণমূলে যারা পড়ে রয়েছেন তারাই এ দেশের মালিক। আর তাদের ঘর থেকেই লেখাপড়া শিখে আজকে উঠে এসেছেন। সেদিকে লক্ষ রেখে তাদের সেবা করাটাই হবে সব চেয়ে বড় দায়িত্ব।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু প্রফেসর মোজাফফর আহমদ চৌধুরীর নেতৃত্বে ‘অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস রি-অর্গানাইজেশন কমিটি’ গঠন করেছিলেন। জনগণের দোরগোড়ায় সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে জাতির পিতা তার দ্বিতীয় বিপ্লব কর্মসূচির অংশ হিসেবে সব মহকুমাকে জেলায় উন্নীত করে প্রত্যেক জেলার জন্য ‘জেলা গভর্নর’ নিযুক্ত করেন। কারণ ক্ষমতার বিকেন্দ্রিকরণই ছিল জাতির পিতার মূল লক্ষ্য।

সরকার প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধিকেও সমান গুরুত্ব দিচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমার নির্দেশনায় বিপিএটিসি কর্তৃক প্রস্তুতকৃত ভৌত অবকাঠামো পুনর্নির্মাণ ও আনুষঙ্গিক সুবিধা সম্প্রসারণের মাধ্যমে বিপিএটিসির সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। এরই ধারাবহিকতায় ২০তলা বিশিষ্ট ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবন’-এর নকশা ইতোমধ্যে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

প্রশিক্ষণের আধুনিকায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, আমরা চাচ্ছি, আমাদের এ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটা একদিকে যেমন দৃষ্টিনন্দন হয় এবং সেখানের প্রশিক্ষণ ব্যবস্থাটাও যেন বিশ^মানের হয়। এখানে প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা সারাবিশে^ যেন দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারে।

দ্য ডেইলি রিপোর্ট২৪. নিউজ

www.thedailyreport24.com

ভালো লাগলে এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই কেটাগরির আরো খবর
© All rights reserved 2020 thedailyreport24

প্রযুক্তি সহায়তা WhatHappen