1. admin@thedailyreport24.com : admin :
ব্যবস্থা না নিলে ঢাকার সর্বত্র অবরোধ | The DailyReport24.com
বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২০, ০১:০৭ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
>>>পরীক্ষামূলক সম্প্রচার<<<

ব্যবস্থা না নিলে ঢাকার সর্বত্র অবরোধ

  • বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২০
  • ৬৫ বার পড়া হয়েছে
প্রতিরোধ করতে না পা
Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  Yum
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

ব্যবস্থা না নিলে ঢাকার সর্বত্র অবরোধ

দ্য ডেইলি রিপোর্ট২৪. নিউজ

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে গত সোমবার তার (মাহমুদুর রহমান মান্নার) গাড়ি ভাঙচুরসহ হামলা চালিয়ে বিএনপির ২০ নেতাকর্মীকে আহত করার ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে ঢাকা মহানগরের সর্বত্র অবরোধের ঘোষণা দিয়েছেন নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না। তিনি বলেন, যারা হামলা করেছে, তাদের ভিডিও আছে

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা তৈমুর আলম খন্দকার হামলাকারীদের নামে জিডি করেছেন। সাত দিনের মধ্যে ব্যবস্থা নিতে হবে। যদি ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তাহলে বন্ধুবান্ধব এবং আপনাদের সঙ্গে কথা বলব। সাত দিন বা ১৫ দিন পরে ঢাকা মহানগরের সব জায়গায় অবরোধ করব। এ রকম মনে করবেন না যে, এক মাঘে শীত যাবে। গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে নাগরিক ঐক্যের উদ্যোগে মান্নার ওপর হামলার প্রতিবাদে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে ও মানববন্ধনে তিনি এ হুশিয়ারি দেন।
ব্যবস্থা না নিলে ঢাকার সর্বত্র অবরোধ

গত সোমবার সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে রপসীর খন্দকার বাড়িতে তৈমুর আলম খন্দকারের জন্মদিন ও খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় আয়োজিত দোয়া মাহফিলে মান্নার বক্তব্য চলাকালে রামদা, লাঠিসোটা হাতে হেলমেট পরে ৪০-৫০ জনের একটি দল হামলা চালায়। এ সময় তারা চারটি গাড়ি, মোটরসাইকেল, অনুষ্ঠানের মঞ্চ, সাউন্ড সিস্টেম ও চেয়ার ভাঙচুর করে। এতে তৈমুর আলমের মেয়ে ব্যারিস্টার মারিয়াম খন্দকারসহ ২০ জন আহত হয় বলে জানান বিএনপি চেয়ারপারসনের এই উপদেষ্টা।

মান্না বলেন, আমাদের রামদা, জেল, মামলার ভয় দেখাবেন না। পান্তা ভাতের মধ্যে কাঁচামরিচ দিয়ে যেভাবে খায়, ওইভাবে হামলা-মামলা এত বছর ধরে খেয়ে এসেছি। যখন ধরব তখন পালাবার পথ পাবেন না।

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, মান্নার ওপর ছাত্রলীগ, যুবলীগ হামলা করেছে। প্রধানমন্ত্রীর তো অনেক গোয়েন্দা বাহিনী, তারা নিশ্চয়ই প্রধানমন্ত্রীকে বলেছে। গোয়েন্দা বাহিনীরা প্রধানমন্ত্রী যেটা শুনতে চান তারা সেটা শোনায়। তবে আমি বলব, এই গোয়েন্দা বাহিনীই তার বিপদ ডেকে আনবে।

নির্বাচন প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, বাংলা?দে?শের মানু?ষের যে গড় আয়ু প্রধানমন্ত্রী শেখ হা?সিনা সেই গড় আয়ু অতিক্রম ক?রে? ফেলেছেন। আমরা যদি প্রধানমন্ত্রীকে জীবিত দেখতে চাই, সুস্থ দেখতে চাই, তাহলে তার এখন বিশ্রাম প্রয়োজন। তবে বিশ্রামেরও একটা পদ্ধতি আছে, তা হলো সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন দিয়ে ইতিহাসের পাতায় তার নাম লিখিয়ে বিশ্রামে যেতে হবে।

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে গত সোমবার তার (মাহমুদুর রহমান মান্নার) গাড়ি ভাঙচুরসহ হামলা চালিয়ে বিএনপির ২০ নেতাকর্মীকে আহত করার ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে ঢাকা মহানগরের সর্বত্র অবরোধের ঘোষণা দিয়েছেন নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না। তিনি বলেন, যারা হামলা করেছে, তাদের ভিডিও আছে।

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা তৈমুর আলম খন্দকার হামলাকারীদের নামে জিডি করেছেন। সাত দিনের মধ্যে ব্যবস্থা নিতে হবে। যদি ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তাহলে বন্ধুবান্ধব এবং আপনাদের সঙ্গে কথা বলব। সাত দিন বা ১৫ দিন পরে ঢাকা মহানগরের সব জায়গায় অবরোধ করব। এ রকম মনে করবেন না যে, এক মাঘে শীত যাবে। গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে নাগরিক ঐক্যের উদ্যোগে মান্নার ওপর হামলার প্রতিবাদে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে ও মানববন্ধনে তিনি এ হুশিয়ারি দেন।

সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর প্রমুখ। ব্যবস্থা-না-নিলে-ঢাকার-সর্বত্র

 

রোববার থেকে ৬০ ঘণ্টার টানা হরতাল ১৮-দলীয় জোটের প্রাথমিক কর্মসূচি। এর মধ্যে নির্দলীয় সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচনের দাবি মানা না হলে সারা দেশ থেকে রাজধানী ঢাকাকে বিচ্ছিন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে। এ ক্ষেত্রে টানা হরতাল ও অবরোধ কর্মসূচি দেওয়া হবে। জোটের দায়িত্বশীল নেতারা এ তথ্য জানিয়েছেন।

নেতারা বলেছেন, ১ নভেম্বর থেকে আবার হরতাল বা অবরোধ দেওয়া হতে পারে। তিন দিনের হরতালে সরকার ও আওয়ামী লীগ মারমুখী হলে তাৎক্ষণিকভাবে হরতালের সময়সীমা বাড়ানো হতে পারে। ৭ নভেম্বরের পর থেকে টানা অবরোধ, হরতাল ও সারা দেশ থেকে ঢাকাকে বিচ্ছিন্ন করার কর্মসূচি দেওয়া হবে। ঢাকার প্রবেশপথ-সংলগ্ন জেলা ও উপজেলায় অবরোধ কর্মসূচি চলবে। সড়ক, রেল ও নৌপথ একই সঙ্গে অবরোধের ঘোষণা দেওয়া হবে।

আন্দোলন কর্মসূচির পাশাপাশি সংলাপের দরজাও খোলা থাকবে। বিএনপি মনে করছে, রাজপথে শক্তি দেখাতে না পারলে সরকার তাদের দাবির প্রতি সমর্থন জানাবে না। আলোচনা বা সংলাপের নামে সরকার শুধু সময়ক্ষেপণ করবে।

গতকাল খালেদা জিয়ার কর্মসূচি ঘোষণার পর বিএনপির স্থায়ী কমিটির কয়েকজন সদস্য বলেন, ২৭ অক্টোবর থেকে নির্দলীয় সরকারের দাবি আদায়ের চূড়ান্ত আন্দোলনে প্রবেশ করল বিএনপি। তবে এটা মূল কর্মসূচি নয়। আগামী কয়েক দিন সরকারের মনোভাব দেখে নতুন ও কঠোর কর্মসূচি ঠিক করা হবে। তাঁরা বলেন, আলোচনা বা সংলাপের মাধ্যমে সংকট সমাধানের ন্যূনতম সম্ভাবনা থাকলে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারেন তাঁরা। এরপর টানা কর্মসূচির ব্যাপারে আর কোনো ছাড় দেওয়ার সুযোগ থাকবে না।

চলতি সংসদের ১৯তম অধিবেশন শেষ হচ্ছে ৭ নভেম্বর। সময়সীমা বাড়ানো না হলে ওই দিন নবম সংসদের শেষ অধিবেশন বসবে। বিএনপির দাবি মানতে হলে সংবিধান সংশোধন করতে হবে। আর তা এই সময়ের মধ্যেই করতে হবে। অবশ্য এর পরও রাষ্ট্রপতি অধিবেশন ডাকতে পারেন।

বিরোধীদলীয় নেতা গতকাল সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সমাবেশে বলেছেন, এটা প্রাথমিক কর্মসূচি। দাবি মানা না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি আসছে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মাহবুবুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যদি নির্দলীয় সরকারের ব্যাপারে একমত পোষণ করে শনিবারের মধ্যে আলোচনার সূত্রপাত করে, তবে অবশ্যই হরতাল প্রত্যাহার করা হবে। বিএনপি তো নির্বাচন করতে চায়। তাদের আন্দোলনও সে জন্য।

আন্দোলন জোরদার হবে ঢাকার বাইরে থেকে: বিএনপি মনে করছে, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগ পর্যন্ত তাদের জন্য সবচেয়ে কঠিন সময়। এ সময় কঠোর আন্দোলন ও সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে না পারলে দাবি আদায় হবে না। এ জন্য বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীরা আন্দোলনের জন্য প্রস্তুত হচ্ছেন।

বিএনপির একজন দায়িত্বশীল নেতা মন্তব্য করেন, ঢাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি বেশি। এখানে বেশি সময় সরকারের সঙ্গে টিকে থাকা যাবে না। তাই তাঁরা ঢাকার বাইরে সহিংস কর্মসূচি পালন করবেন। যেসব মহাসড়ক দিয়ে ঢাকায় প্রবেশ করতে হয়, সেগুলো যেসব এলাকায় পড়েছে, সেখানে আন্দোলন কঠোর করা হবে। এ ছাড়া উত্তরাঞ্চলের কয়েকটি জেলা, বিশেষ করে রাজশাহী, বগুড়া, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, জয়পুরহাট, পাবনা; দক্ষিণাঞ্চলের মধ্যে পটুয়াখালী, বরিশাল, খুলনা, যশোর এবং ঢাকার আশপাশের শহরগুলোর মধ্যে নারায়ণগঞ্জে কঠোর কর্মসূচি পালন করা হবে।

ওই নেতা বলেন, জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবির সর্বশক্তি দিয়ে শেষ সময়ের আন্দোলনে যুক্ত হবে। এ ব্যাপারে তাদের সঙ্গে কথা হয়েছে।

পঞ্চমবারের মতো সময় বেঁধে দেওয়া: নির্দলীয় সরকারের দাবিতে আন্দোলন শুরুর পর এ নিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন মোট পাঁচবার সরকারকে সময় বেঁধে দিলেন। ২০১২ সালের ১২ মার্চ ঢাকায় সমাবেশ থেকে খালেদা জিয়া প্রথম দফা ৯০ দিনের জন্য সময় বেঁধে দেন। এরপর ১১ জুন ঢাকায় অপর এক সমাবেশ থেকে আগস্টে অনুষ্ঠিত রোজার ঈদ পর্যন্ত সময় দেন। ২০১৩ সালের ৪ মে শাপলা চত্বরের সমাবেশ থেকে ৬ মে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত সময় দেন। রাজশাহীতে ১৬ সেপ্টেম্বরের জনসভা থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত এবং সর্বশেষ গতকাল ৩৬ ঘণ্টার সময় বেঁধে দিলেন বিরোধীদলীয় নেত্রী।

দ্য ডেইলি রিপোর্ট২৪. নিউজ

www.thedailyreport24.com

ভালো লাগলে এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই কেটাগরির আরো খবর
© All rights reserved 2020 thedailyreport24

প্রযুক্তি সহায়তা WhatHappen