1. admin@thedailyreport24.com : admin :
নবম শ্রেণি পর্যন্ত অটোপাস | The Daily Report24.com
বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২০, ০১:০২ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
>>>পরীক্ষামূলক সম্প্রচার<<<

নবম শ্রেণি পর্যন্ত অটোপাস

  • বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২০
  • ৯৬ বার পড়া হয়েছে
নবম শ্রেণি পর্যন্ত অটোপাস
Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  Yum
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

নবম শ্রেণি পর্যন্ত অটোপাস

দ্য ডেইলি রিপোর্ট২৪. নিউজ

প্রাথমিকেও হচ্ছে না বার্ষিক পরীক্ষা : করোনা সংক্রমণের কারণে এবার বার্ষিক পরীক্ষা না নিয়েই প্রাক-প্রাথমিক থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত সব শিক্ষার্থীকে ওপরের শ্রেণিতে তোলা হবে। এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। মাধ্যমিক স্তরের বার্ষিক পরীক্ষার বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাতে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি গতকাল বুধবার অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে বলেন, যে পরিস্থিতি তাতে এবার কোনো বার্ষিক পরীক্ষা হচ্ছে না। তবে কারিগরির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা নেওয়া হবে।

নবম শ্রেণি পর্যন্ত অটোপাস
প্রাথমিক স্তরের বার্ষিক পরীক্ষা হচ্ছে কিনা জানতে চাইলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব আকরাম-আল-হোসেন গতকাল সন্ধ্যায় আমাদের দ্য ডেইলি রিপোর্ট২৪. নিউজকে বলেন, এ বছর প্রাথমিক স্তরেও বার্ষিক পরীক্ষা হচ্ছে না। সব শিক্ষার্থীই পরের ক্লাসে প্রমোশন পেয়ে যাবে। পরীক্ষা নেওয়ার মতো পরিস্থিতি নেই।

তিনি বলেন, প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট দিয়ে দক্ষতা যাচাইয়ের মতো বয়স নয়। ভিন্ন কোনো উপায়ে আমরা তাদের ঘাটতিগুলো চিহ্নিত করব। পরের শ্রেণিতে সে অনুযায়ী পাঠদান হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ঘাটতি পূরণের জন্য ৩০ কর্মদিবসে শেষ করা যায় এমন একটি সিলেবাস প্রণয়ন করেছে এনসিটিবি। ওই সিলেবাসের আলোকে শিক্ষার্থীদের প্রতিসপ্তাহে একটি করে অ্যাসাইনমেন্ট দেওয়া হবে। সেই অ্যাসাইনমেন্ট মূল্যায়ন করে শিক্ষার্থীদের ঘাটতিগুলো চিহ্নিত করে পরবর্তী ক্লাসে তা পূরণের চেষ্টা করা হবে।

শিক্ষার্থীদের পরের ক্লাসে ওঠার ক্ষেত্রে এ অ্যাসাইনমেন্ট মূল্যায়নের যে কোনো প্রভাব থাকবে না, তা জানিয়ে দীপু মনি বলেন, এ মূল্যায়নটার মাধ্যমে যেন কোনো চাপ সৃষ্টি করা

না হয়। এ মূল্যায়ন শুধু আমাদের বোঝার জন্য যে শিক্ষার্থীদের কোথায় কোথায় দুর্বলতা আছে, সেগুলো পরের ক্লাসে কাটিয়ে ওঠার ব্যবস্থা করব।

এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষা বাতিল হলেও কারিগরির পরীক্ষা হবে। সাধারণ বিষয়ে পরীক্ষা ছাড়া ভিন্নভাবে মূল্যায়ন করা সম্ভব হলেও কারিগরি শিক্ষায় তা সম্ভব নয়। কারিগরি শিক্ষার্থীদের লেখার চাইতে ব্যবহারিক পরীক্ষাকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। সেটি না শিখলে তাকে পরবর্তী ক্লাসে প্রমোশন দেওয়া সম্ভব হবে না। এ কারণে সেশন পর্বের পরীক্ষার মাধ্যমে এ স্তরের শিক্ষার্থীদের পরবর্তী পর্বে প্রমোশন দেওয়া হবে। মন্ত্রী বলেন, কারিগরি স্তরে শিক্ষার্থীর সংখ্যা কম হওয়ায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে তাদের পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব। দ্রুততম সময়ের মধ্যে তাদের বিষয়ে আমরা জানিয়ে দেব।

জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা না হলেও শিক্ষার্থীদের সমাপনী সনদ দেওয়া হবে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের সনদ ও বৃত্তির বিষয়ে সিদ্ধান্ত পরে জানিয়ে দেব। নভেম্বরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা যাবে কিনা এমন প্রশ্নে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আপনাদের কী মনে হয়? এখন পর্যন্ত যে অবস্থা তাতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার মতো পরিবেশ আছে বলে মনে হয়? যেসব দেশে খুলেছিল অধিকাংশ জায়গায় বন্ধ করার পর্যায়ে আছে।

করোনা মহামারীর মধ্যে বিপাকে পড়ে যারা এক এলাকা ছেড়ে অন্য জায়গায় গেছেন সেসব শিক্ষার্থী নিকটবর্তী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আপাতত যুক্ত থাকতে পারবে বলেও জানান শিক্ষামন্ত্রী।

করোনায় যেসব শিক্ষার্থীর অভিভাবকরা চাকরি হারিয়েছেন তাদের কাছ থেকে সন্তানের টিউশন ফি আদায়ের ক্ষেত্রে মানবিক আচরণ করতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি আহ্বান জানান শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, যারা চাকরি হারিয়েছেন বা আয়-রোজগার হারিয়েছেন তাদের বলব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করতে এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো যেন মানবিক আচরণ করে এবং তাদের যতটা সম্ভব ছাড় দেওয়া, না হলে কিস্তিতে টিউশন ফি পরিশোধ করাসহ নানা ধরনের ব্যবস্থা হতে পারে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, উভয়পক্ষকে আন্তরিকতার সঙ্গে সন্তানদের শিক্ষা চালিয়ে নেওয়ার জন্য নিজেদের সামর্থ্যমতো যা কিছু করা সম্ভব তা করার জন্য বারবার আমি আহ্বান জানাচ্ছি। আমাদের সন্তানদের যেমন শিক্ষা চালিয়ে নিতে হবে, আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোও চালু রাখতে হবে। আমাদের শিক্ষকদেরও জীবন-জীবিকার বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে। কাজেই ঢালাওভাবে বেতন বাদ দিয়ে দেওয়া বা এখন বেতন দেওয়া হবে না, এ জাতীয় কোনো সিদ্ধান্ত একেবারেই সঠিক সিদ্ধান্ত হবে না।

আগামী বছরের এসএসসি-এইচএসসির প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা এখন এমন একটি অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি যে, খুব বেশি সামনে আমরা সিদ্ধান্ত দিতে পারছি না। তবে যাদের সামনের বছর এসএসসি ও এইচএসসি আছে, তারা অবশ্যই নিজেরা নিজেদের প্রস্তুতি নেবে। সবার কাছে বই আছে, যতদূর সম্ভব অনলাইনে অ্যাকসেস করবে। কারণ পরীক্ষা যদি কিছুদিন পরেও হয়, সময়মতো হয়ত করার আমরা চেষ্টা করব, সময়মতো হলে তো হলোই, না হলে যদি কিছুদিন পরেও হয় তা হলেও কিন্তু পরীক্ষা হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থী ভর্তিতে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার বিষয়ে দীপু মনি বলেন, আমাদের কয়েক বছর ধরে প্রচেষ্টা ছিল সমন্বিত পরীক্ষা শুরুর। আমরা মনে করি, এ বছর যে বাস্তবতা, তাতে এ সমন্বিত পরীক্ষাটি এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি। গুচ্ছ পদ্ধতিতে এ পরীক্ষা আয়োজনে আলোচনা চলছে জানিয়ে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে সঙ্গে নিয়েই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

দীপু মনি বলেন, সমন্বিত পরীক্ষা যদি দেশব্যাপী নিতে পারি তা হলে স্বাস্থ্যবিধি বজায় রেখেই হয়তো সেটি করা সম্ভব। কারণ প্রতি জেলায় যদি পরীক্ষা হয় এবং সারাদেশে যে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা আছেন, তারাই নানাভাবে ইনভিজিলেটর, পরীক্ষা পর্যবেক্ষক হিসেবে উপস্থিত থেকে মান নিশ্চিত করতে পারেন। আমাদের ধারণা, এটি করা সম্ভব।

করোনা ভাইরাসের কারণে গত ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। বর্তমানে কওমি মাদ্রাসা ছাড়া অন্যসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত ছুটি চলছে। মহামারীর কারণে এ বছর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষাও হচ্ছে না।

 

 

সংগৃহীত

শিক্ষায় বড় পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞান না কি অন্য শাখায় পড়বে, সেটা ঠিক হবে একাদশ শ্রেণিতে। এর আগে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত সবাইকে অভিন্ন ১০টি বিষয় পড়তে হবে। শিশুদের পড়াশোনার চাপ কমাতে প্রাথমিক স্তরে পাঠ্যবইয়ে বিষয়বস্তু কমিয়ে আনা হচ্ছে।

জানা যায়, এসএসসি পরীক্ষা হবে শুধু দশম শ্রেণির পাঠ্যসূচির ভিত্তিতে। একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিতে দুটি পাবলিক পরীক্ষা হবে, যার ভিত্তিতে এইচএসসির ফল প্রকাশ করা হবে।

প্রাক্-প্রাথমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাক্রম পরিমার্জনের কাজ করছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। পরিমার্জিত শিক্ষাক্রম অনুযায়ী প্রথম, দ্বিতীয় ও ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা আগামী বছর নতুন পাঠ্যবই পাবে।

পর্যায়ক্রমে অন্যান্য শ্রেণিতে নতুন শিক্ষাক্রমে নতুন বই দেওয়া হবে। আগামী মার্চের মধ্যে শিক্ষাক্রম চূড়ান্ত করে পর্যায়ক্রমে ২০২৫ সালে গিয়ে উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত পুরোপুরি শিক্ষাক্রম বাস্তবায়িত হবে।

এনসিটিবির দুজন সদস্য বলেন, কিছু বিষয় প্রায় চূড়ান্ত হয়েছে। আর কিছু পরিকল্পনার মধ্যে আছে। শিক্ষাবিদ ও এনসিটিবির কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিদের নিয়ে গঠিত কমিটির মাধ্যমে শিক্ষাক্রম পরিমার্জন হচ্ছে।

চলমান পাঠ্যক্রম অনুযায়ী, প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে ৩টি করে পাঠ্যবই এবং তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ৬টি করে পাঠ্যবই পড়তে হয়। ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত ১৩টি পাঠ্যবই পড়তে হয়।

নবম ও দশম শ্রেণিতে ২৭টি এবং একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিতে ৩৯টি পাঠ্যবই পড়তে হয়। তবে বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ আলাদা থাকায় নবম, দশম ও একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের সব বিষয়ের বই পড়তে হয় না।

দ্য ডেইলি রিপোর্ট২৪. নিউজ

www.thedailyreport24.com

ভালো লাগলে এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই কেটাগরির আরো খবর
© All rights reserved 2020 thedailyreport24

প্রযুক্তি সহায়তা WhatHappen