1. admin@thedailyreport24.com : admin :
নীতিহীন সাংবাদিকতায় দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয় | Breaking News-2020
বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২০, ০১:৫৮ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
>>>পরীক্ষামূলক সম্প্রচার<<<

নীতিহীন সাংবাদিকতায় দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়

  • সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২০
  • ১৮ বার পড়া হয়েছে
শেখ হাসিনার মধ্যে বঙ্গবন
Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  Yum
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

নীতিহীন সাংবাদিকতায় দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়

দ্য ডেইলি রিপোর্ট২৪. নিউজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকার যেখানে দুর্নীতি পাচ্ছে, সে দলের যত বড় নেতা বা কর্মী হোক, আমরা সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিচ্ছি। হ্যাঁ, তাতে অবশ্য আমাদের বিরোধীদের বলার বা লেখার সুযোগ হচ্ছে যে- আওয়ামী লীগ দুর্নীতি করছে। কিন্তু এ কথাটা কেউ চিন্তা করছে না- আওয়ামী লীগ দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিচ্ছে না। গতকাল রবিবার গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) রজতজয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।

রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে রজতজয়ন্তীর মূল অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ডিআরইউ। সংগঠনের সাবেক সভাপতি ও রজতজয়ন্তী উদযাপন কমিটির চেয়ারম্যান শাহজাহান সরদার,

ডিআরইউ সভাপতি রফিকুল ইসলাম আজাদ, সংগঠনের সাবেক সভাপতি শাহেদ চৌধুরী, সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা ফিরোজ, সহসভাপতি নজরুল কবির, সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুর রহমানসহ নেতৃবৃন্দ এবং সদস্য সাংবাদিকরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, যেখানে যা রিপোর্ট হচ্ছে বা আমরা খবর পাচ্ছি, কোথাও কোনো দুর্নীতি বা অন্যায় হলে, আমরা কিন্তু এটি চিন্তা করি না- এর পেছনে আমাদের দল জড়িত, এখানে সরকারের বদনাম বা দলের বদনাম হবে। আমরা চিন্তা করি, এখানে অন্যায় হয়েছে তার বিরুদ্ধে আমাদের ব্যবস্থা নিতে হবে।

জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে দেশের মানুষের মধ্যে সচেতনতা গড়ে তোলার জন্য সরকার কাজ করে যাচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানুষ যদি সঙ্গে না থাকে, পাশে না থাকে; তা হলে কোনো জায়গাতেই কিছু অর্জন করা যায় না। আমরা সেটিই বিশ^াস করি এবং সেভাবেই কাজ করছি। তিনি বলেন, জঙ্গিরা প্রকাশ্যে এ দেশে অস্ত্র নিয়ে মিছিল করেছে। সরকারিভাবে তাদের প্রটেকশন দেওয়া হয়েছে। পুলিশ পাহারা দিচ্ছে আর বাংলা ভাইয়েরা ট্রাকে করে অস্ত্র নিয়ে মিছিল করেছে- সে ঘটনাও তো আপনারা দেখেছেন।

প্রধানমন্ত্রী নিজেকে সাংবাদিক পরিবারের একজন সদস্য উল্লেখ করে বলেন, জাতির পিতা নিজেও সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। জাতিকে বিভ্রান্ত করতে পারে, এমন কোনো সংবাদ পরিবেশন না করার আহ্বানও জানান প্রধানমন্ত্রী।

সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, আপনারা দায়িত্বশীলতা নিয়ে, দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে, মানুষের কল্যাণের কথা চিন্তা করে কাজ করবেন। কারণ এই রিপোর্টগুলো অনেক সহযোগিতা করে। তিনি বলেন, বিভিন্ন পত্রিকায় অনেক সময় অনেক ঘটনা আসে, সেসব রিপোর্ট পড়ে সঙ্গে সঙ্গে আমরা অনেক অসহায় মানুষের পাশে যেমন দাঁড়াই, আবার অন্যায় ঘটনা ঘটলে তার প্রতিকারও করতে পারি। অনেক দোষীকে শাস্তি দিতে পারি এবং দিয়ে থাকি।

শেখ হাসিনা বলেন, অনেক সময় আপনারা অনেক ঝুঁকি নিয়ে রিপোর্ট করেন; সে জন্য আপনাদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি। নীতিহীন সাংবাদিকতা পরিহারের জন্য জাতির পিতার এক ভাষণের উদ্ধৃতি দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সাংবাদিকতায় আমরা নিরপেক্ষতা চাই, বাস্তবমুখিতা চাই এবং দেশ ও জাতির প্রতি যেন কর্তব্যবোধ থেকে যেন এটি হয়, সে রকমই আমরা চাই। নীতিহীন সাংবাদিকতা কোনো দেশের কল্যাণ আনতে পারে না। বরং ক্ষতি করে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটা সময় আমাদের দেশে ছিল যতই দুর্নীতি হোক যতই অন্যায় হোক সেগুলো ধামাচাপা দেওয়া হোত। আর সমস্যাগুলো- ওই যে কথায় বলে যে কার্পেটের তলে লুকিয়ে রাখা। আমাদের সরকারে কিন্তু আমরা তা করছি না।

শেখ হাসিনা বলেন, স্বাধীনতার পর এমন একটা অবস্থা হয় যে এসব পত্রিকা চালানো সংবাদপত্র মালিকদের পক্ষে কঠিন হয়ে পড়ে। তখন বঙ্গবন্ধুই উদ্যোগ নিয়ে সাংবাদিকদের সরকারি চাকরি দিয়েছিলেন। সরকারি বেতন সবাই পেতেন। সরকারি চাকরির মর্যাদাটা তিনিই দিয়েছিলেন।

প্রপাগান্ডার রাজনীতিতে সেটাকে অন্যভাবে দেখা হয়েছিল উল্লেখ করে বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, সেটাকে অন্যভাবে দেখা হয় যে, উনি সব সংবাদপত্র বন্ধ করে দিয়েছেন। ঘটনা কিন্তু তা নয়, তখন কারো (সংবাদপত্র মালিক) সাংবাদিকদের বেতন দেওয়ার মতো বা সংবাদপত্র চালানোর আর্থিক ক্ষমতা ছিল না। সেই দায়িত্বটা জাতির পিতাই নিয়েছিলেন। তিনি বলেন, দুর্ভাগ্য এটি আমার নিজের দেখা যারা সরকারি চাকরি পেয়েছিল তারাই বেশি সমালোচনা করত।

প্রধানমন্ত্রী এ সময় সংবাদ শিল্পের উন্নয়নে তার সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপগুলোও তুলে ধরেন।

অতীতে সাংবাদিক নির্যাতনের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, আগে একটি মামলা হলেই চট করে সাংবাদিকদের গ্রেপ্তার করা হতো। আমরা পেনাল কোড সংশোধন করেছি। যাতে সাংবাদিকদের হয়রানির সম্মুখীন হতে না হয়।

 

সাংবাদিকতায় দেশ ক্ষতিগ্রস্ত

ওয়ান-ইলেভেনে শুরু হওয়া ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র এখনো চলছে। দেশের বিনিয়োগব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত করতে নানাভাবে তাদের হয়রানি করা হচ্ছে। বিশেষ মিডিয়া হাউস ব্যবসায়ীদের সুনাম ক্ষুণ্ন ও আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে সমানে অপসাংবাদিকতা করে চলেছে। তারা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিজের মিডিয়ায় মিথ্যা অভিযোগ তুলে ধরে হয়রানির চেষ্টা করছে। কুৎসাচার চালানোর জন্য নিজেদের সংবাদমাধ্যম অন্য প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবহার— এই ‘হলুদ সাংবাদিকতা’কে অত্যন্ত বিপজ্জনক বলে অভিহিত করেছেন দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। তারা বলেছেন, সংবাদমাধ্যম হলো সাধারণ মানুষের সত্য তথ্য জানার একটি নির্ভরযোগ্য উৎস। সেই গণমাধ্যমে দেশের স্বনামধন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে একতরফা অপপ্রচারের অধিকার নেই। এতে পারস্পরিক বিদ্বেষ ছড়িয়ে পড়তে পারে। ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে ব্যবসা-বাণিজ্যের সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ। নিরুৎসাহিত করছে বিনিয়োগ পরিবেশ। সমাজে বিদ্বেষ ছড়িয়ে দিতেই এমন অপতৎপরতা চালানো হচ্ছে বলে মনে করছেন ক্ষতিগ্রস্তরা। ওয়ান-ইলেভেনে ব্যবসায়ীদের টার্গেট করা হয়েছিল পরিকল্পিতভাবে। তখন ব্যবসায়ীরা নিজেদের গুটিয়ে নিয়েছিলেন বিনিয়োগ থেকে। একইভাবে এখন ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কুৎসা রটানো হচ্ছে। এতে ব্যবসায়ীরা বিনিয়োগ থেকে সরে দাঁড়াবেন। নতুন বিনিয়োগ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। মঙ্গলবার একটি দৈনিক পত্রিকায় কাল্পনিক অভিযোগ তুলে অন্য একটি খ্যাতিমান প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিষোদগার করা হয়। এতে আক্রান্ত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে এমন গুরুতর অভিযোগ তোলা হয় যা কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়। অভিযোগ রয়েছে, পত্রিকাটি প্রায়ই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে হলুদ সাংবাদিকতা প্রয়োগে নিজেদের সর্বশক্তি নিয়োজিত করে। জানা গেছে, পত্রিকাটি তার মালিকপক্ষের ব্যবসায়িক স্বার্থ যেখানেই হানি হয়েছে সেখানেই আগ্রাসী ভূমিকা নিয়ে সেই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিষোদগারে লিপ্ত হচ্ছে। এর আগে সরকারের পাওনা রাজস্ব আদায়ের উদ্যোগ নেওয়ায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে পত্রিকাটি। এর ফলে মানহানিকর খবর প্রকাশের অভিযোগ এনে ৫০০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে সেই পত্রিকার বিরুদ্ধে মামলাও করেছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান। মামলার অভিযোগে পত্রিকাটিতে প্রকাশিত বিভিন্ন খবরে ‘হলুদ সাংবাদিকতার’ মাধ্যমে রাজস্ব বোর্ডকে হেয় প্রতিপন্ন করা হয়েছে দাবি করে ভবিষ্যতে যেন এ রকম ‘ভুয়া খবর’ প্রকাশ না করা হয় সেজন্য ক্ষতিপূরণ চাওয়া হয়।

হলুদ সাংবাদিকতার শিকার দেশের অনেক নিরীহ মানুষও। সাংবাদিক নামধারী কিছু ব্যক্তি সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে অনৈতিক সুবিধা নিচ্ছেন। আবার দেশের অনেক সম্পদশালী অসাধু ব্যক্তিও সমাজে নিজেদের প্রভাব বিস্তার কিংবা অন্য কোনো সুবিধা আদায় করতে অনেক সময় ‘মিডিয়া হাউস’ বানিয়ে ফায়দা লুটছেন। কর্মীদের ওপর প্রভাব খাটিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী অন্য ব্যবসায়ীকে ঘায়েল করতে নিজের তৈরি মিডিয়ায় মুখরোচক ও বানোয়াট সংবাদ পরিবেশন করাচ্ছেন। কখনো বা কিছুটা সত্যের সঙ্গে অনেক মিথ্যা তথ্য মিশিয়ে মুখরোচক গল্পও ছাপানো হচ্ছে। পুলিশ বা প্রশাসনের অনেকে আবার পত্রিকায় রিপোর্ট হওয়ার ভয়ে ওইসব সংবাদের সত্য-মিথ্যা যাচাই না করে উল্টো যার নামে রিপোর্ট হয় তাকেই চেপে ধরেন। এ ধরনের অপসাংবাদিকতা বা হলুদ সাংবাদিকতার কবলে পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন সৎ ব্যবসায়ীরা, যারা দেশের অর্থনীতির প্রাণ। কেউ কেউ বিনিয়োগ থেকেও পিছিয়ে যাচ্ছেন এমন পরিস্থিতি এড়ানোর লক্ষ্যে। হলুদ সাংবাদিকতায় এভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে দেশের অর্থনীতি। সংগত কারণেই ওই ধরনের মিডিয়া হাউসের সম্পদশালী মালিক কিংবা সাংবাদিক নামধারীদের শাস্তি দাবি করেছেন দেশের ব্যবসায়ী ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব থেকে শুরু করে নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারপারসন অধ্যাপক মফিজুর রহমান সম্প্রতি বলেছেন, যারা মিডিয়া হাউস খুলে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে ফায়দা লোটে, সম্মান নষ্ট করে, অর্থনীতিতে বিনিয়োগ থেকে দূরে রাখে তারা দেশের শত্রু। এ ছাড়া যারা নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের ভয় দেখিয়ে বা প্রকাশ করে চাঁদা নেন বা সুবিধা নেন তারা আসলে সাংবাদিকই নন। আবার অর্থের লোভে যারা মানুষকে বিপদে ফেলেন, তারাও সাংবাদিক নন। এদের শাস্তির আওতায় আনা উচিত। এতে সমাজে শান্তি আসবে। দেশ উপকৃত হবে।

 

জানা গেছে, সাংবাদিকদের আয়ে স্বচ্ছতা আনার উদ্যোগ নিয়েছে এনবিআর। সাংবাদিক পরিচয়ে অন্যদের জিম্মি করে নিজের আখের গোছাতে ব্যস্ত থাকা কিছু ব্যক্তিকে চিহ্নিত করা হয়েছে। আয়কর রিটার্নের তথ্যে অর্থাৎ স্থাবর সম্পদ ও ব্যাংকে গচ্ছিত অর্থের পরিমাণসহ আয়-ব্যয়ের হিসাবে অসামঞ্জস্য থাকায় ২৭ সাংবাদিককে তলব করা হয়। এদের কাছে প্রকৃত আয়-ব্যয়ের তথ্য চাওয়া হয়েছে। তথ্য গোপন করার কারণও ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। সাংবাদিকতার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার পক্ষে দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানও কাজ করছে এখন।

দ্য ডেইলি রিপোর্ট২৪. নিউজ

www.thedailyreport24.com

ভালো লাগলে এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই কেটাগরির আরো খবর
© All rights reserved 2020 thedailyreport24

প্রযুক্তি সহায়তা WhatHappen